• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
পূবাইলে তরবারিসহ গ্রেফতার ১, পালাল ২-৩ ডাকাত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নতুন সিইও মিজ তানজিলা খানম পূবাইলে ফিওনা লাক্সারি রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হলো ‘সেলিব্রিটি গেস্টস ঈদ ফেস্ট ও ডি.জে. পার্টি’ পূবাইল থানা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক পূবাইল থানা পুলিশের অভিযানে চুরি মামলার এক চোর গ্রেফতার পূবাইল হায়দারাবাদ জাগিরার টেকে ঈদ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত পূবাইলবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন হারুন উর রশিদ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পূবাইলবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পূবাইলবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ হযরত আলী টিটু পূবাইলবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনসুর আলী

পূবাইলে কুলসুম হত্যা রহস্য উন্মোচন,রংপুর থেকে আটক ৩

Reporter Name / ৩২৫ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

রবিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার:

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানাধীন মেঘডুবী এলাকায় মুদি দোকানি কুলসুম আক্তার (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে গাজীপুর জেলা পিবিআই। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রংপুর থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

 

গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন কুলসুম আক্তার। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে তদন্তের দায়িত্ব নেয় পিবিআই গাজীপুর জেলা ইউনিট। ঘটনার এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে সংস্থাটি।

 

আটককৃতরা হলেন রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানার রফিকুল ইসলামের ছেলে কামরুজ্জামান (৩৫), বাদশা মিয়ার ছেলে আমজাদ হোসেন (৩০) ও আফজাল হোসেন (৩৩)। তারা সবাই মেঘডুবী কড়ইটেক এলাকার এ ওয়ান পলিমার কারখানার শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ভিকটিমের বাসার পাশের কাজল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে কুলসুম আক্তারের দোকান থেকে বাকিতে পণ্য কিনতেন। বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আগে তাদের সঙ্গে কুলসুমের বাকবিতণ্ডা হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই তারা ডাকাতির পরিকল্পনা করে। পাশাপাশি কুলসুম একা থাকতেন—এ সুযোগকেও কাজে লাগায় তারা।

 

পিবিআই জানায়, হত্যার আগের দিন ২৫ এপ্রিল রাতে অভিযুক্তরা কুলসুমকে জানায় যে তারা তার বাসায় বান্ধবী নিয়ে কিছু সময় কাটাতে চায়। কুলসুম এতে রাজি হয়ে পরদিন দুপুরে আসতে বলেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল দুপুরে কামরুজ্জামান বিভিন্ন ধরনের ফল নিয়ে কুলসুমের বাসায় যায়। পরে এনার্জি ড্রিংকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে খাওয়ানো হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে কুলসুমকে হত্যা করা হয়।

 

হত্যার পর অভিযুক্তরা ঘরে থাকা নগদ ৩ হাজার ২৫০ টাকা, শিশুদের হাতের চুড়ি, টিকলি ও গলার চেইন নিয়ে রংপুরে পালিয়ে যায়। পরে সেগুলো বিক্রি করতে গিয়ে তারা জানতে পারে অলংকারগুলো আসল স্বর্ণ নয়, সিটি গোল্ড।

 

পিবিআই আরও জানায়, আটক তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো দা ও একটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা