মোঃআতেফ ভূঁইয়,বার্তা সম্পাদক:
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করতে গাজীপুরসহ রাজধানী ছাড়ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনে তৈরি পোশাক কারখানার অধিকাংশ বন্ধ থাকায় শ্রমজীবী মানুষের ঢল নেমেছে মহাসড়কে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ, সৃষ্টি হয়েছে ধীরগতির যানচলাচল ও থেমে থেমে যানজট।
সকাল থেকেই ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, গাজীপুরা, বোর্ড বাজার, ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অতিরিক্ত চাপের কারণে গাড়ি ধীরগতিতে চলায় নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের সময় লাগছে কয়েক গুণ বেশি। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগও করছেন যাত্রীরা।
ঘরমুখো মানুষ বাস, মিনিবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে যাত্রা করলেও অনেকে কম খরচে বাড়ি ফিরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকেও যাত্রা করছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অনিয়ন্ত্রিত যাত্রী ওঠানামা এবং পথচারীদের জটলার কারণে যানজট আরও তীব্র হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কবীরপুর থেকে কালিয়াকৈর বাইপাস এবং সফিপুর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত অংশে যানবাহনের চাপ গত কয়েক দিনের তুলনায় বেড়েছে। ফলে এসব এলাকায় গাড়ি স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না, সৃষ্টি হচ্ছে থেমে থেমে যানজট।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এবারের ঈদে প্রায় ২০ লাখ শ্রমজীবী মানুষ গাজীপুর ছাড়বেন। ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরের পর আরও ৪৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হলে মহাসড়কে চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সদস্যরা অবস্থান নিয়ে যানজট নিরসনে তৎপর রয়েছেন।